মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

দয়ারামপুর ইউনিয়নের ইতিহাস

প্রমদানাথের পিতা রাজা প্রমথনাথ দিঘাপিতয়ার জমিদারী হাতে নেওয়ার পর বিভিন্ন অঞ্চলে নিজেও বেশ কয়েকটি জমিদারী খরিদ করেন। তার খরিদ করা এ সব জমিদারী তিনি অপর তিন পুত্র বসন্তকুমার, শরৎকুমারএবং হেমেন্দ্রকুমারের মধ্যে সমান ভাবে ভাগ করে দিয়েছিলেন। দিঘাপতিয়া থেকে প্রায় বার মাইল দক্ষিণ-পূর্বে এবং মালঞ্চি রেলওস্টেশন থেকে পাঁচ মাইল পূর্বে বড়াল নদীর তীরে অবস্থিত দয়ারামপুর নামক স্থানে পৃথক রাজ এস্টেটস স্থাপন এবং পৃথক রাজবাড়ী নির্মান করে তারা তিন সহোদর একত্রে বসবাস করতেন। এই স্থানটির পূর্বনাম ছিল নন্দীকুজা । রাজবাড়ী নির্মিত হওয়ার পর দিঘাপতিয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা দয়ারামের নামানুসারে এই স্থানের নামকরন করা হয় দয়ারামপুর। দয়ারামপুর রাজবাড়ী পূর্বদিকে অবস্থিত গ্রামটি বর্তমানে নন্দীকুজা নামে পরিচিত । গঠন কৌশলের দিক থেকে দয়ারামপুর রাজপ্রাসাদ ছিল নতুন ছাচে তৈরি।উচু প্রাচীর দ্বারা বেষ্ঠিত রাজবাড়ির অভ্যন্তরে দেশ বিদেশ থেকে সংগৃহীত নানা প্রকার ফুল ও ফলের গাছ রোপান করে অপূর্বশোভা করা হযেছিল সাতাশ বিঘা জমির উপরে স্থাপিত এ রাজবাড়ীর নির্মান কাজ শুরূ হয়(রাজা প্রমদানাথ দিঘাপতিয়া রাজ এস্টেটস-এর দায়িত্বভার গ্রহণকরার পর)১৮৯৪ থ্রীস্টাব্দে(বাং১৩০১ সালে ) এবং সম্পন্ন হোয়ার পর থেকে বসন্তকুমার শরৎকুমার  এবং হেমেন্তকুমার দয়ারামপুরে নবনির্মিত রাজবাড়ীতে একত্রে বসবাস করতেন। কিছুকাল পরে কনিষ্ঠ ভ্রাতা কুমার হেমেন্তকুমার রায় রাজশাহী শহরে পৃথক বাড়ীতে (রাজশাহী সাধারণ গ্রন্থাগারের সন্নিকটে অবস্থিত)বসবাস করেন।

 

      দয়রামপুরে স্থাপিত নতুন রাজ এস্টেটস-এর নামকরণ করা হয় ‘‌‌‌‌‌‌‌দিঘাপতিয়া জুনিয়ার রাজ দয়ারামপুর এস্টেটস’।

দিঘাপতিয়া রাজের ছোট তরফ বলেও এটি পরিচিত ছিল।তিন লক্ষ টাকার দয়ারামপুর জমিদারী চারটি এস্টেটে বিভক্তছিলঃ

(১) দয়ারামপুর (নাটোর), (২) সোটাপীর(দিনাজপুর), (ত) ঝিনাইদহ এবং (৪) সেঁওড়াফুলী(হুগলী)।এ সব স্টেটের

জন্য পৃথক পৃথক সেরেস্তা স্থাপিত হয়েছিল। তবে প্রধান কার্যালয় ছিল দয়ারামপুর রাজবাড়ী। পরবর্তিতে এই রাজবাড়ী দয়ারামপুর সেনানিবাস গঠিত হয়।

 

স্বাধীনতা পরবর্তিকালে যখন ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় ঐ সময় দয়ারামপুরের প্রথম চেয়ারম্যান হন: কে.এম আফসার আলী, সে দায়িত্বভার গ্রহন করেনঃ ২৭/১২/১৯৭১ইং হইতে ২৯/০৪/১৯৭২ইং পযর্ন্ত।